SHARE

মহাসড়কে চলেছেন কখনো? কোনো যানবাহনে?
আপনার উত্তর নিশ্চয়ই না হবে না।
এবার আপনার জীবনের যেকোনো একটি বাস ভ্রমনের মূহুর্তটাকে একটু কল্পনা করুন।
আপনি যখন বাসের মধ্যে বসে বাইরের পরিবেশটা উপভোগ করছিলেন তখন একটা বিষয় হয়তো খেয়াল করেছেন যে চালক যিনি আছেন উনি ফাকা রাস্তা পেলেই খুব দ্রুত গাড়ি চালাচ্ছেন। আবার যখন একটু যানজটের মধ্যে পড়ে যাচ্ছেন তখন আবার গাড়ি ধীর গতীতে চালাচ্ছেন কিংবা কখনও কখনও ব্রেক দাবিয়ে একেবারেই থামিয়ে রাখছেন, যানজট কেটে গেলেই আবার পুনরায় গাড়ি চলছে।
আবার কখনো কখনো এও হয়তো দেখেছেন বিপদ জনক রাস্তাতে গাড়ি ধীরে চলে। দেখেছেন নিশ্চয় আঁকাবাঁকা রাস্তাতে ধীরে চলতে। ভাঙ্গা বা উঁচুনিচু রাস্তায়ও কিন্তু ধীরে চলে। এরপর আবার যখন সমান্তরাল রাস্তা আসে গাড়ি আবার তার সর্বোচ্চ গতিতেই চলে।
তবে একটা জিনিস খেয়াল করেছেন কিনা জানিনা, রাস্তায় এসব আঁকাবাঁকা, উঁচুনিচু, যানজট, বিদপজনক বন্ধুর পথ কিন্তু খুব বেশি থাকে না। চলার পথে অল্প কিছুটা পথ। বাকি সবই সমান্তরাল রাস্তা।

এবার প্রশ্ন আসতে পারে, এসব কথা কেন বলছি?
বলছি- হ্যাঁ, এসব কথা এজন্যই বলা, উদাহরন দিতে আমি খুব ভালোবাসি।
আমাদের জীবনটাও কিন্তু ওই চলমান গাড়ির মত। যেখানে চলার পথে সব পথই সমান্তরাল থাকবে না। কখনো কখনো যানজট আসবে, একটু গতি কমিয়ে দিতে হবে অথবা কিছুক্ষনের জন্য থেমেও থাকতে হবে। আবার বিপদ জনক রাস্তা আসবে তখন সাবধানে ধীরে সুস্থে চলতে হবে। আসবে আঁকাবাঁকা, উঁচুনিচু, ভাঙ্গা রাস্তাও সেগুলোকে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে দেখেশুনে পার হতে হবে।
পৃথিবীর কোনো কিছুই একদম সমান এবং সমান্তরাল নয়।
গতি কমে গিয়েছে বলে ভাববেন না যে আপনি হেরে গেছেন। ওটা গতী কমিয়ে দেওয়ারই রাস্তা ছিল। হয়তো যানজট অথবা অন্য কিছু।
তবে হ্যাঁ, আশার বাণী হচ্ছে, গতি কমানোর রস্তার চাইতে গতি বাড়ানোর রাস্তাই কিন্তু বেশি। তাই ধৈর্য এবং বিচক্ষনতার পরিচয় দিয়ে যদি আপনি কিছুটা দূর্গম পথ অতিক্রম করতে পারেন। বাকিটা রাস্তা খুব সহজ হয়ে যাবে আপনার জন্য।
আপনিও কি থেমে আছেন?
তাহলে ধরে নিন সিগনালে আটকে আছেন, কিছুক্ষন পরই আবার গাড়ি ছাড়বে।
শুভ কামনা সকলের জন্য।

যদি আপনার এই লেখাটি পড়ে ভাল লাগে তবে আমাদের ফেইসবুক গ্রুপে যোগ দিন ও এ ধরনের অনেক পোস্ট পড়ুন।

Comments

comments